নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের 'চল বিদ্যুৎ' অধ্যায়ের MCQ

Class 9-10 'চল বিদ্যুৎ' অধ্যায়ের নৈর্ব্যক্তিক অনুশীলন

1. নিচের কোনটি অর্ধ-পরিবাহী?
সঠিক উত্তর: জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা: সিলিকন বা জার্মেনিয়াম হলো সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী।
2. মানুষের হৃদপিণ্ডের ভিতর দিয়ে কত mA বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে মানুষ মারা যায়?
সঠিক উত্তর: 10
ব্যাখ্যা: সরাসরি হৃদপিণ্ডের ভিতর দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে খুব সামান্য পরিমাণ বিদ্যুৎও প্রাণঘাতী হতে পারে।
সরাসরি হৃদপিণ্ডের ভিতর দিয়ে মাত্র 10 mA বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে মানুষ মারা যেতে পারে।
3. 2 Ω রোধের তিনটি রোধ পরস্পর সমান্তরালে সংযুক্ত করলে তুল্য রোধের মান কত ওহম হবে?
সঠিক উত্তর: 0.67
ব্যাখ্যা: আমরা জানি,
1/Rp = 1/R₁ + 1/R₂ + 1/R₃
এখানে, R₁ = R₂ = R₃ = 2 Ω
1/Rp = 1/2 + 1/2 + 1/2
বা, 1/Rp = (1 + 1 + 1) / 2
বা, 1/Rp = 3/2
বা, Rp = 2/3
সুতরাং, Rp = 0.67 Ω
4. কোনটির রোধকত্ব সবচেয়ে বেশি?
সঠিক উত্তর: নাইক্রোম
ব্যাখ্যা: প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে নাইক্রোমের রোধকত্ব সবচেয়ে বেশি (100 × 10⁻⁸ Ωm)।
5. তাপমাত্রা বাড়ালে কোন পদার্থের বিদ্যুৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়?
সঠিক উত্তর: সিলিকন
ব্যাখ্যা: অর্ধপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বাড়ালে বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা বা প্রবাহ বেড়ে যায়। সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
6. তাপমাত্রা ও পরিবাহীর উপাদান ধ্রুব থাকলে তড়িৎ প্রবাহমাত্রা, বিভব পার্থক্যের—
সঠিক উত্তর: সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা ও পরিবাহীর উপাদান ধ্রুব থাকলে তড়িৎ প্রবাহমাত্রা (I), বিভব পার্থক্যের (V) সমানুপাতিক। অর্থাৎ, I ∝ V।
7. যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে কী বলে?
সঠিক উত্তর: পরিবাহী
ব্যাখ্যা: যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
পরিবাহী: ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। তাদেরকে পরিবাহী পদার্থ বলে। সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো পরিবাহী পদার্থ।
অপরিবাহী: যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়।
অর্ধপরিবাহী: কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। সিলিকন বা জার্মেনিয়াম, সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ।
8. 5 Ω মানের চারটি রোধ সমান্তরালে সংযোগ দিলে তুল্য রোধ কত হবে?
সঠিক উত্তর: 1.25 Ω
ব্যাখ্যা: 5 Ω মানের চারটি রোধকে সমান্তরালে সাজালে,
1/Rp = 1/R₁ + 1/R₂ + 1/R₃ + 1/R₄
= 1/5 + 1/5 + 1/5 + 1/5
= 4/5
সুতরাং, Rp = 5/4 = 1.25 Ω。
9. আপেক্ষিক রোধের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর: নাইক্রোম > টাংস্টেন > তামা
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন পদার্থের আপেক্ষিক রোধের মান লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, নাইক্রোমের আপেক্ষিক রোধ টাংস্টেন অপেক্ষা বেশি এবং টাংস্টেনের আপেক্ষিক রোধ তামা অপেক্ষা বেশি।
সুতরাং সঠিক ক্রম: নাইক্রোম > টাংস্টেন > তামা।
10. যেকোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বা উপকরণের বৈদ্যুতিক বর্তনী সম্পূর্ণ করার জন্য কমপক্ষে কয়টি তারের দরকার?
সঠিক উত্তর: 2
ব্যাখ্যা: যেকোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বা উপকরণের বৈদ্যুতিক বর্তনী সম্পূর্ণ করার জন্য কমপক্ষে দুটি তারের দরকার।
এগুলো হলো জীবন্ত (L) ও নিরপেক্ষ (N) তার।
জীবন্ত তার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করে এবং নিরপেক্ষ তারের মাধ্যমে তড়িৎপ্রবাহ উৎসে ফিরে আসে।
নতুন প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা দাও

Metiva SSC Preparation

এসএসসি প্রস্তুতির সেরা অ্যাপ
Google Play Store