ব্যাখ্যা: যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
পরিবাহী: ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। তাদেরকে পরিবাহী পদার্থ বলে। সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো পরিবাহী পদার্থ।
অপরিবাহী: যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়।
অর্ধপরিবাহী: কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। সিলিকন বা জার্মেনিয়াম, সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ।
নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের 'চল বিদ্যুৎ' অধ্যায়ের এই বহুনির্বাচনি প্রশ্নটি (MCQ) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে আপনার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করুন। বোর্ড পরীক্ষা ও টেস্ট পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত প্র্যাকটিস করা প্রয়োজন।