1. দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান তিনটি নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার অববাহিকায় কোন দেশ অবস্থিত?
সঠিক উত্তর: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা নদী তিনটি তাদের প্রবাহপথের শেষ প্রান্তে এসে বাংলাদেশে মিলিত হয়েছে এবং একটি বিশাল অববাহিকা তৈরি করেছে।
2. বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী 'পিরামিড' পাহাড়টি কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
সঠিক উত্তর: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
ব্যাখ্যা: পিরামিড পাহাড়টি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য জেলাগুলোর অন্তর্গত।
3. শীতকালে বাংলাদেশের বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকে কেন?
সঠিক উত্তর: সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে বলে
ব্যাখ্যা: শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় উত্তর গোলার্ধের স্থলভাগ থেকে শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হয়, ফলে বাতাসে জলীয়বাষ্প কম থাকে।
4. বাংলাদেশে প্রতি বছর শীতকাল স্থায়ী হয় কোন সময় পর্যন্ত?
সঠিক উত্তর: নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে সাধারণত নভেম্বর মাস থেকে শীতের আমেজ শুরু হয় এবং ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল স্থায়ী থাকে।
5. বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কত দাঁড়িয়েছে?
সঠিক উত্তর: ০.২৫ একর
ব্যাখ্যা: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে মাথাপিছু জমির পরিমাণ হ্রাস পেয়ে বর্তমানে ০.২৫ একরে নেমে এসেছে।
6. বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমির মোট আয়তন আনুমানিক কত বর্গ কিলোমিটার?
সঠিক উত্তর: ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা: পলি মাটি দ্বারা গঠিত বাংলাদেশের এই সুবিস্তৃত প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
7. মিয়ানমারে গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা প্রায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
সঠিক উত্তর: ২৯° সে.
ব্যাখ্যা: মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল থাকে এবং এ সময় গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৯° সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকে।
8. বাংলাদেশে বর্ষাকালের সময়সীমা কোনটি?
সঠিক উত্তর: জুন থেকে অক্টোবর
ব্যাখ্যা: জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের মাধ্যমে বাংলাদেশে বর্ষাকাল শুরু হয় এবং এটি অক্টোবর পর্যন্ত স্থায়ী থাকে।
9. বাংলাদেশের উত্তরের পাহাড় বা টিলাগুলোর উচ্চতা সাধারণত কত হয়ে থাকে?
সঠিক উত্তর: ৩০-৯০ মিটার
ব্যাখ্যা: উত্তরের টিলাগুলোর উচ্চতা তুলনামূলক কম, যা সাধারণত ৩০ থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
10. বাংলাদেশের ভূখণ্ডের প্রায় কত শতাংশ এলাকা নদী বিধৌত প্লাবন সমভূমি?
সঠিক উত্তর: ৮০%
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ ভূমিই নদী বিধৌত সমভূমি। প্রতি বছর বন্যার সময় নদীবাহিত পলি সঞ্চিত হয়ে এই বিশাল উর্বর সমতল ভূখণ্ডটি গঠিত হয়েছে।